জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের দপ্তরে আইনি কর্মকর্তা (লিগ্যাল অফিসার) পদে নিয়োগ পেয়েছেন জাইমা রহমান। তবে পেশাগত যোগ্যতা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ ও প্রশ্নগুলোতে বলা হচ্ছে—ইউকে ব্যারিস্টারস রেজিস্টারে নামের অনুপস্থিতি, পিউপিলাজ সম্পন্ন না করা এবং বাংলাদেশে প্রাকটিসের জন্য প্রদেয় আইনি লাইসেন্স না থাকার পরও তাকে এ পদে বসানো হয়েছে।
এছাড়া দেশে ল ফার্ম ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এ কাজের যে অভিজ্ঞতা দাবি করা হয়েছে, সেটির পার্টনারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। সমালোচকদের দাবি, কোনো স্থায়ী আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার তথ্য ছাড়াই কেবল দলীয় প্রভাব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরির উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এর মালিকানায় বিএনপির আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জড়িত।
তবে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন ও রাজনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করার পর ঐতিহ্যবাহী ‘ইনার টেম্পল’ থেকে ব্যারিস্টারি সনদ অর্জন করেন জাইমা রহমান। পাশাপাশি তিনি দেশে ‘সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর সঙ্গে সাংবিধানিক ও করপোরেট আইনে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘ সূত্রে জানা যায়, সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয় মূলত একটি অস্থায়ী বা ট্রাস্ট ফান্ড পরিচালিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন সদস্য দেশের পেশাজীবীরা সাময়িকভাবে সংযুক্ত হন। জাইমা রহমানের ল ফার্ম অভিজ্ঞতা ও নিয়োগের যোগ্যতা নিয়ে ওঠা বিভিন্ন রাজনৈতিক অভিযোগ ও মন্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ল ফার্ম বা বিএনপির নীতিপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে কোনো নতুন বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।







