চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে বিএনপি নেতা পরিচয়ে এক মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের মার্কেট জবরদখল এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পুঁইছড়ী ইউনিয়নের প্রেমবাজারে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সুলতানুল গণি চৌধুরীর মালিকানাধীন মার্কেটে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা পরিচয়দানকারী গিয়াস উদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় লিখিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান সুলতানুল গণি চৌধুরীর ওই মার্কেটটি দখলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চক্রান্ত করে আসছিলেন গিয়াস উদ্দিন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কতা উপেক্ষা করে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একদল সশস্ত্র লোক নিয়ে মার্কেটটি দখল করে নেন তিনি। পরে মার্কেটের আটটি দোকানের মালামাল লুট করে চত্বরে টিনের বেড়া দিয়ে ‘জায়গাটির মালিক মরহুম বশির আহমদের ওয়ারিশগণ’ লেখা একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
মার্কেটের কেয়ারটেকার ও মামলার বাদী মিজানুর রহমান কাজল অভিযোগ করেন, গিয়াস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মালিকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এই হামলা চালিয়ে মার্কেটের ভেতরের অফিস ভাঙচুর, গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র চুরি এবং আটটি দোকান থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়।
তবে চাঁদাবাজি ও জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত গিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, মার্কেটটি গত ১৭ বছর ধরে সুলতানুল গণি অবৈধভাবে দখলে রেখেছিলেন এবং তারা জমিটির প্রকৃত মালিক। অন্যদিকে, জমিটি ১৯৮৯ সালে কেনা বলে জানান মালিক সুলতানুল গণি। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।







