টেলিভিশন টকশোতে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন নিজেকে ‘জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক’ দাবি করা বিতর্কিত গণমাধ্যমকর্মী মাহবুব কামাল। এবার নেক্সাস টেলিভিশনের একটি সরাসরি সম্প্রচারিত টকশোতে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নকে প্রকাশ্যে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
অনুষ্ঠানে যুবদল নেতা নয়নকে উদ্দেশ্য করে মাহবুব কামাল বলেন, “আপনি একটু কম ফোকাস হওয়ার চেষ্টা করেন। বেশি ফোকাস হলে প্রতিপক্ষের টার্গেট লিস্টের প্রায়োরিটিতে চলে আসবেন। যেমনঃ হাদী সাহেব।” এই বক্তব্যের পর দেশজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সচেতন মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—উনি কি টকশোতে সাংবাদিকতা করতে এসেছেন, নাকি পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের হয়ে প্রকাশ্য হুমকি দিতে এসেছেন?
সুশীল সমাজ ও বিশ্লেষকদের মতে, শহীদ ওসমান হাদীকে যেভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছিল, যুবদল নেতা নয়নকেও ঠিক একইভাবে হত্যার পরোক্ষ ও কৌশলী হুমকি দেওয়া হয়েছে মাহবুব কামালের এই বক্তব্যে। উল্লেখ্য, ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে স্পষ্ট।
মাহবুব কামালের এ ধরনের উসকানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য এবারই প্রথম নয়। এর আগেও তিনি ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে এবং পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তির পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। টকশোর মঞ্চ ব্যবহার করে একজন রাজনৈতিক নেতাকে এভাবে প্রতিপক্ষের ‘টার্গেট লিস্টে’ পরিণত হওয়ার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।







