আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি দেশের সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক মানদণ্ডে পিছিয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৬ সালের স্কাইট্র্যাক্স র্যাংকিংয়ে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিমানবন্দরের তালিকায় তো নয়ই, দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ১০ বিমানবন্দরের তালিকাতেও জায়গা পায়নি দেশের প্রধান এই বিমানবন্দর।
বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা ও প্রবাসীদের ভোগান্তির প্রতিবাদ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রবাসী কর্মীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে। অথচ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের লাগেজ চুরি ও নানা ধরনের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জ্যেষ্ঠ নাগরিককে মামলা হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে হ্যান্ডকাফ ও হেলমেট পরিয়ে আদালতে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সাদিক কায়েম সরকারের কথিত দ্বিমুখী আচরণের সমালোচনা করে বলেন, রাড্ডা হাসপাতালে ভাঙচুর কিংবা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের এক সপ্তাহেও আইনের আওতায় আনা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। অথচ নাগরিক অধিকারের পক্ষে প্রতিবাদকারী একজনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ডাকসু ভিপি। তার দাবি, বর্তমান সরকার শুরু থেকেই প্রবাসীদের প্রতি বিরূপ অবস্থান নিয়ে আসছে। নির্বাচনের আগে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা থেকে শুরু করে তাদের যথাযথ সম্মান ও সেবা নিশ্চিত করা—কোনো ক্ষেত্রেই সরকার সফল হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনাই যেখানে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে আগামী পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার কতটা দক্ষতা দেখাতে পারবে।







