মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকে না। তবে তার কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি মানুষের মাঝে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে। যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের শূন্যতা যেমন বেদনার, তেমনি তাদের কর্ম ও অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্প্রতি প্রয়াত সাংবাদিকদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, আমাদের কেউই চিরদিন থাকব না। আগামী বছরের স্মরণসভায় হয়তো আমাদের কারও নামও উঠে আসতে পারে। তাই যারা চলে গেছেন, তাদের স্মৃতি ধারণ করা এবং সমাজ ও সাংবাদিকতায় তাদের অবদান স্মরণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
প্রয়াত সাংবাদিক ও গুণীজনদের স্মরণ করে বক্তারা বলেন, তারা আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও তাদের রেখে যাওয়া স্মৃতি ও অবদান আমাদের জন্য বেদনার ভার হয়ে রয়েছে। তাদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তবে তাদের কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি ভবিষ্যতের পথচলায় আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রয়াত সাংবাদিক ও গুণীজনেরা নিজেদের মেধা, শ্রম ও কর্মের মাধ্যমে সমাজ, দেশ এবং সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের অবদান তুলে ধরারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানে প্রয়াতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন বক্তারা।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মইনুল হোসেন এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ টি এম বোরহান উদ্দীন।







