Thursday, September 24, 2026
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
Home ফিচার

দেশজুড়ে তরুণদের সবুজ বিপ্লবের প্রত্যয়

মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এর মূল কাজ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সংক্রান্ত নানা সমস্যা সমাধানে নবীন উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করা।

May 5, 2025
A A
দেশজুড়ে তরুণদের সবুজ বিপ্লবের প্রত্যয়

বাংলাদেশের পরিবেশ যখন নানাবিধ সংকটে বিপর্যস্ত, তখন সেই সংকট মোকাবিলায় আশার আলো হয়ে উঠে এসেছে এক যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন—মিশন গ্রিন বাংলাদেশ (Mission Green Bangladesh)। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে পর্যন্ত তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে গড়ে উঠেছে এক বিশাল সবুজ আন্দোলন। এই সংগঠনটি শুধুমাত্র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবেশ রক্ষায় বহুমুখী, উদ্ভাবনী ও টেকসই কর্মপন্থা গ্রহণ করে পরিবেশ রক্ষার এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এর মূল কাজ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সংক্রান্ত নানা সমস্যা সমাধানে নবীন উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে কাজ করা। সংগঠনটি পরিবেশ সংরক্ষণে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতামূলক কাজ, এবং সাসটেইনেবল প্রোডাক্ট তৈরি করে চলছে। উপহার হিসেবে গাছ দেওয়ার মাধ্যমে পরিবেশের সুরক্ষায় তরুণদের সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি, নিজেদের নার্সারি তৈরি করে গাছ বিতরণ করছে সারাদেশের তরুণদের মাঝে। মিশন গ্রিন বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, গাছ লাগানো একটি পরিবেশ রক্ষার প্রতীক—এটি শুধু কার্বন শোষণ ও অক্সিজেন দেওয়ার মাধ্যম নয়, বরং একটি সবুজ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।

মিশন গ্রিন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় এক তরুণ উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মী আহসান রনির স্বপ্ন থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় থেকেই তিনি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরিবেশ তাঁর হৃদয়ের খুব কাছের।

আরওপড়ুন

এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন ইসলামী ব্যাংকে পরীক্ষা ছাড়াই ৮৫৪২ নিয়োগ

ভারতে সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ, হানিট্র্যাপে ফেলার আশঙ্কা

বাংলাদেশ যখন বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় উঠে আসে, তখন তিনি উপলব্ধি করেন যে, এটি আর শুধুমাত্র উদ্বেগের বিষয় নয়—সমাধানের জন্য এখনই কাজ শুরু করতে হবে। সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগের শুরু। তাঁর ভাবনায় সাড়া দেন কৃষিবিদ আবুল বাশার মিরাজ, সমাজকর্মী মৌসুমী আক্তার বাঁধন ও পরিবেশ সাংবাদিক কেফায়েত শাকিল।

সকলের সম্মিলিত নেতৃত্বে ও কিছু স্বেচ্ছাসেবকের সহায়তায় প্রাথমিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দিয়েই শুরু হয় মিশন গ্রিন বাংলাদেশের কার্যক্রম। ২০২৩ সালে সংগঠনটি পূর্ণমাত্রায় আত্মপ্রকাশ করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে তাদের সবুজ বিপ্লবের আওয়াজ।

মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সংগঠনটি আয়োজন করেছে দুই শতাধিক পরিবেশ সচেতনতামূলক ইভেন্ট, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বিশ্ব পরিবেশ দিবসে (৫ জুন,২০২৪) একই সাথে দেশের ৫৩টি স্থানে গাছ রোপণ কর্মসূচি আয়োজন।

এটি শুধুমাত্র একটি সাংগঠনিক দক্ষতার নিদর্শন নয়, বরং তরুণ সমাজের উদ্যম এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল প্রমাণ।

“এনভায়রনমেন্ট ইনোভেশন সামিট এন্ড অ্যাওয়ার্ড” আয়োজনের মাধ্যমে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন ও উদ্যোগগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি প্রদানের এক ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ করে যা পরিবেশ বিষয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং নতুন ভাবনা ও সমাধান বিনিময়ের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ।

এছাড়াও, “কপ -২৯” সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে “ক্লাইমেট ফাইন্যান্স কনফারেন্স” আয়োজনের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের তরুণদের পরিবেশ সংক্রান্ত অর্থায়ন ও বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল সম্পর্কে প্রস্তুত করতে সচেষ্ট হয়েছে। এই উদ্যোগ তরুণদের মাঝে পরিবেশ অর্থনীতির ধারণা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তারা জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর সঙ্গে যৌথভাবে “লাভ ফর ট্রি ক্যাম্পেইন ” আয়োজন করে তারা মানুষের মাঝে বৃক্ষপ্রেম জাগিয়ে তুলতে কাজ করেছে।

এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে যে, যৌথ প্রচেষ্টা ও সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো সম্ভব। তাদের “ফ্রি ট্রি ইনিশিয়েটিভ” এর মাধ্যমে দেশজুড়ে হাজারো বৃক্ষ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি “ফ্রি ট্রি নার্সারি’ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয়ভাবে দেশীয় প্রজাতির চারা উৎপাদন এবং বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাদের স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেয় ছোট একটি গাছ, যেন মানুষের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিও বেড়ে ওঠে।

তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং পরিবেশ শিক্ষায়ও সংগঠনটির কাজ প্রশংসনীয়। “গ্রিন ভলান্টিয়ার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম”, “ইনোভেশন টকস”, “প্রকৃতির পাঠশালা” এবং “প্রকৃতির জন্য শিশুরা”—এই চারটি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংক্রান্ত বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ।বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য “গ্রিন ভলান্টিয়ার স্কলারশিপ” এর মাধ্যমে গুলশান-২ এবং বনানী লেকের দুপাশে ৪ কিলোমিটার জুড়ে সবুজ করিডোর তৈরি করার কাজ চলছে।

শুধু পরিবেশ সচেতনতা নয়, গবেষণা এবং উদ্ভাবনেও পিছিয়ে নেই তারা। “ক্লাইমেট রিসার্চ ফেলোশিপ” এবং “মিশন অক্সিজেন ফেলোশিপ”-এর মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে পরিবেশ ইস্যুতে কার্যকর সমাধান নিয়ে কাজ করতে। সংগঠনটির নিজস্ব গবেষণা বিভাগ এবং প্রকাশনা ‘প্রকৃতি জার্নাল’ পরিবেশ নিয়ে লিখিত ও তথ্যনির্ভর উদ্যোগের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ইতিমধ্যে সংগঠনটি নানা স্বীকৃতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ব্রান্ড ফোরাম ও ইনোভেশন কনক্লেভের আয়োজনে ‘ক্লাইমেট এন্ড এনভায়রনমেন্ট’ বিভাগে “এসডিজি ব্রান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৪” এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা পিএমআই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে “পিএমআই সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট অফ দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ড” অর্জন করে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ নিজেদের একটি তরুণতর, অথচ পরিপক্ক সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বর্তমানে তারা আয়োজন করছে “ইন্টারন্যাশনাল ক্লাইমেট ক্যাম্প, ২০২৫” যা ৪-৮ জুলাই নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

মিশন গ্রিন বাংলাদেশ বিশ্বাস করে—উদ্ভাবন ছাড়া টেকসই ভবিষ্যৎ সম্ভব নয়। সে লক্ষ্যেই আত্মপ্রকাশ ঘটেছে তাদের নিজস্ব পরিবেশবান্ধব ব্র্যান্ড ‘হেলদি লিভিং’, ‘গ্রিনি’ এবং “ভাঙড়ি মামা”। এই ব্র্যান্ডগুলো থেকে প্রাকৃতিক নানা পণ্য প্রচারের পাশাপাশি প্লাস্টিক ও পোশাক বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, রিসাইকেল করা কাগজে তৈরি কলম, এমনকি এমন কলম যেটির পেছনে থাকে গাছের বীজ—যা মাটিতে পুঁতলেই জন্ম নেবে নতুন একটি চারাগাছ।

এসব পণ্য যেমন ব্যবহারবান্ধব, তেমনি পরিবেশবান্ধব। এছাড়া রয়েছে “গ্রিন বিল্ডিং প্রজেক্ট” যা শহরে স্থায়িত্বশীল নির্মাণ ও নগর সবুজায়নের পক্ষে কাজ করে।

ফেনীতে বাস্তবায়িত “কমিউনিটি সোলার প্রজেক্ট”- এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে তারা নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে কাজ করছে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ। এছাড়া ২০২৪ বন্যা পরবর্তী মিশন গ্রিন বাংলাদেশের উদ্যোগ “কমিউনিটি রিবিল্ডিং ফান্ড” ফেনী ও কুমিল্লার বন্যাকবলিত এলাকায় পরিবেশবান্ধব পুনর্বাসনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় সংগঠনটির কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে প্রতিটি থানায় ও গ্রামে কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ। তাদের লক্ষ্য হলো—শুধু শহরকেন্দ্রিক না হয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকেও পরিবেশবান্ধব জীবনের দিকে আগ্রহী করা। সংগঠনটির প্রতিটি প্রকল্পেই রয়েছে উদ্ভাবনের ছোঁয়া এবং দেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা যা করে তুলেছে এই সংগঠনটিকে অনন্য।

মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি মনে করেন, “যেকোনো উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভবিষ্যতে ভয়াবহ বিপদের মুখোমুখি হবো।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের তরুণদের পরিবেশবান্ধবভাবে বাঁচতে হবে এবং পরিবেশবান্ধব একটি পরিবেশ গড়ার জন্য এগিয়ে আসতে হবে, নাহলে আমরা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করব। তরুণদের উচিত পরিবেশকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা, কারণ নতুন বাংলাদেশ তাদের হাতেই তৈরি হবে এবং পরিবেশবান্ধব সমাধানই আমাদের ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।”

বাংলাদেশ আজ জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর একটি। এখানকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ রেখে যেতে হলে আজই আমাদের কাজ শুরু করতে হবে। সেই কাজটি শুরু করে দিয়েছে ‘মিশন গ্রিন বাংলাদেশ। মাত্র কয়েক বছরের পথচলায় এ সংগঠনটি প্রমাণ করেছে—সঠিক দিকনির্দেশনা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব থাকলে তরুণরাই পারে পরিবেশ আন্দোলনের প্রধান শক্তি হতে।এ শুধু একটি সংগঠনের গল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একটি সবুজ বিপ্লবের শুরু – যেখানে সবুজ থাকবে, সুস্থতা থাকবে, এবং থাকবে এক টেকসই ভবিষ্যৎ।

Related Posts

এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন ইসলামী ব্যাংকে পরীক্ষা ছাড়াই ৮৫৪২ নিয়োগ
প্রধান সংবাদ

এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকাকালীন ইসলামী ব্যাংকে পরীক্ষা ছাড়াই ৮৫৪২ নিয়োগ

September 23, 2026
ভারতে সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ, হানিট্র্যাপে ফেলার আশঙ্কা
প্রধান সংবাদ

ভারতে সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ, হানিট্র্যাপে ফেলার আশঙ্কা

September 23, 2026
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা
প্রধান সংবাদ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা

September 22, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কাঠগড়ায় কাঁদলেন গাজী নজরুলের স্ত্রী মাকছুদা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মরিয়মের আত্মহত্যার নেপথ্যে মানসিক নিপীড়ন ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হরণ!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মসজিদের ভেতরে চেয়ার-টেবিল, সোফা বসিয়ে এমপির সভা: আলোচনা-সমালোচনার ঝড়

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত-বিএনপির ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াত-বিএনপির ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

September 24, 2026
কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর সামনেই ছাত্রদলের দু’গ্রুপের হট্টগোল-হাতাহাতি

কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর সামনেই ছাত্রদলের দু’গ্রুপের হট্টগোল-হাতাহাতি

September 24, 2026
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পালাতে সহযোগিতা, এসআই ক্লোজড

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পালাতে সহযোগিতা, এসআই ক্লোজড

September 24, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০