বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস ও রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এভিয়েশন উইংয়ের একটি সি-২৯৫ (C-295) কৌশলগত পরিবহন বিমানে চড়ে ঢাকার বাইরে সফর করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্পূর্ণ যাত্রায় বিমানটি পরিচালনা করেছেন সেনাবাহিনী এভিয়েশন উইংয়ের নিজস্ব দক্ষ সামরিক পাইলটরা।
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁও সামরিক বিমানবন্দর থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের যাতায়াতে সাধারণত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিমান ও পাইলটদের নিযুক্ত করার দীর্ঘদিনের রেওয়াজ থাকলেও, এবার সেনাবহর ও আর্মি এভিয়েশনের সক্ষমতার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে এই রুটে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর নিজস্ব উড়োজাহাজ ও অভিজ্ঞ পাইলটদের মাধ্যমে দেশের শীর্ষ নির্বাহী পরিচালন পরিচালনা করা আর্মি এভিয়েশন উইংয়ের জন্য এক বিশাল স্বীকৃতি। এটি কেবল তাদের পেশাদারিত্ব ও কারিগরি দক্ষতার পরিচয় বহন করে না, বরং দেশের সামরিক এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক অনন্য নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। সেনাবাহিনীর সার্বিক নিরাপত্তা ও নিখুঁত ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই ফ্লাইটটি এভিয়েশন উইংয়ের ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা বাহিনীর এই বিশেষ শাখার ওপর নির্বাহী আস্থার পরিধিকে আরও সুদৃঢ় করবে।
