বাংলাদেশের স্বাধীন ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের ভূয়সী প্রশংসা করে ইতিবাচক ভিডিও প্রকাশ করায় এক ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের ফেসবুক কনটেন্ট সুপরিকল্পিতভাবে মুছে দিচ্ছে একটি দেশবিরোধী চক্র। ফেসবুকের সিস্টেমকে অপব্যবহার করে ভুয়া কপিরাইট ক্লেইমের মাধ্যমে ওই ভিডিওগুলো সরিয়ে ফেলার এই অপচেষ্টা স্পষ্ট করে দেয় যে, একটি নির্দিষ্ট মহল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রকৃত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্রটি পৌঁছাতে দিতে নারাজ।
পূজার আনন্দময় ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ স্বচক্ষে দেখতে ওই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নিজেই বাংলাদেশে ভ্রমণ করেছিলেন। কিন্তু দেশের মাটি থেকে আন্তর্জাতিক মহলে পজিটিভ ন্যারেটিভ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই স্বার্থান্বেষী মহলের গাত্রদাহ শুরু হয়। মূলত যারা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, তারাই অনলাইন থেকে এই সত্যগুলো মুছে ফেলতে নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ বছর স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে দেশের সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা অত্যন্ত আনন্দঘন আবহে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন করেছেন। যদিও উৎসবকে ঘিরে একশ্রেণির কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছিন্ন কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে সাজানো গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিল, তবে বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রতিটি অসত্য তথ্য ও প্রোপাগান্ডা সুনির্দিষ্টভাবে ‘ডিবাঙ্ক’ বা মিথ্যা প্রমাণ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কখনো এমন মুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশে উৎসব উদযাপনের সুযোগ পায়নি। বরং তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন স্থানে কৃত্রিম নাশকতা বা সাবোটাজ সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক বিশ্বে চরম ঘৃণ্য ‘সাম্প্রদায়িক কার্ড’ খেলত। কিন্তু আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটায় তাদের সেই পুরোনো অপকৌশল ও অপপ্রচারের ডালপালা চিরতরে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।







