জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, শ্যামল কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৩ মে মামলা করা হয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, শ্যামল কৃষ্ণ দাস এনবিআরের কর অঞ্চল, ময়মনসিংহে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন। ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকে নিজের ও নির্ভরশীলদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা এবং আয়ের উৎসের বিবরণী জমা দেন তিনি। সেখানে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮১৭ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন।
এর সঙ্গে ৩১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ টাকার পারিবারিক ব্যয় যোগ করে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ কোটি ৪ লাখ ৯৭ হাজার ১৭ টাকায়। এর বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১ হাজার ২২৫ টাকা। অবশিষ্ট ১ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯২ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করে দুদক।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান শ্যামল কৃষ্ণ দাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরে ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। বিচার শেষে আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।







