খুলনার ফুলবাড়ীগেট এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের রোডমার্চ ও লংমার্চের গাড়িবহর লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা পরপর চার-পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপ করেছে। এতে সরাসরি বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও লংমার্চকে স্বাগত জানাতে জড়ো হওয়া শত শত নারী-পুরুষ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়ীগেট এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের পরপরই নিরাপত্তার খোঁজে স্থানীয় জনতা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের প্রধান গাড়িবহরটি খুলনার শিববাড়ি মোড় থেকে ফুলতলার দিকে যাচ্ছিল। বহরটি ফুলবাড়ীগেট এলাকায় পৌঁছানোর ঠিক আগমুহূর্তে হেলমেট পরা কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী ও দুর্বৃত্ত পরপর চারটি থেকে পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটিয়েই হামলাকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
এর আগে একই এলাকায় লংমার্চের বহর এবং অতিথি নেতাদের স্বাগত জানাতে নির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন তোরণে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরপর ককটেল বিস্ফোরণ ও তোরণে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোটা ফুলবাড়ীগেট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ হামলার ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল সদস্য ককটেল বিস্ফোরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খানজাহান আলী থানা কমিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ সরাসরি অভিযোগ করে জানান, মিরেরডাঙ্গা এলাকার দুজন যুবদল নেতার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানান এই জামায়াত নেতা।







