আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ৪২টি পদক্ষেপ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব পদক্ষেপ তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে বাস্তবায়ন করা হবে। মূল লক্ষ্য—আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা।
প্রস্তাবনায় রয়েছে:
অবৈধ অস্ত্র দমন ও বৈধ অস্ত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা
প্রার্থী মনোনয়ন থেকে প্রতীক বরাদ্দ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ
নির্বাচনি এলাকায় পোস্টার-ব্যানার অপসারণ
সংখ্যালঘু ও নৃগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ
ভোটকেন্দ্র, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ও কর্মকর্তাদের সুরক্ষা
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন
বহিরাগত প্রভাবশালী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দমন
ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও অবকাঠামো সংস্কার
নির্বাচনি দ্রব্যাদি পরিবহন ও সংরক্ষণে সুরক্ষা
প্রবাসী ভোটার, পোস্টাল ব্যালট ও আইসিটি ব্যবহারে বিশেষ ব্যবস্থা
এছাড়া নির্বাচনি সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা, অগ্নি ও দুর্যোগ মোকাবিলা, তথ্যপ্রযুক্তি দিয়ে ভুয়া তথ্য প্রতিরোধসহ নানামুখী পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, কিছু কৌশল তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাস্তবায়ন করবে; আবার কিছু পদক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় কার্যকর হবে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই একমাত্র লক্ষ্য।”







