এমন মানুষও আছেন, যারা বলেন—“আপনি পাঁচ বছর থাকুন, দশ বছর থাকুন, এমনকি পঞ্চাশ বছর থাকুন।” অর্থাৎ, মানুষ নানা ধরনের কথাই বলে। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলে—“নির্বাচনেরই বা দরকার কী? কার জন্য নির্বাচন?”
ব্রিটিশ-আমেরিকান সাংবাদিক মেহেদি হাসান যখন জানতে চান কেন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন করতে এত সময় লাগছে, তখনই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এভাবে জবাব দেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশ নেওয়ার ফাঁকে আলজাজিরার টকশো হেড টু হেড-এর উপস্থাপক ও জেটিওর প্রতিষ্ঠাতা মেহেদি হাসানকে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারের তিন মিনিটের একটি অংশ সোমবার রাতে প্রচার করা হয়।
মেহেদি হাসানের প্রশ্নে ড. ইউনূস জানান, রমজানের কারণে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তী সরকার। কতদিন দায়িত্বে থাকব, তার নির্দিষ্ট সময়সীমা কেউ ঠিক করে দেয়নি। তবে আমাদের তিনটি মূল কাজ আছে—সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন। কেবল নির্বাচন হলে পুরোনো পরিস্থিতি আবার ফিরে আসবে, কারণ আইন ও পদ্ধতি অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। তাই জনগণের, বিশেষ করে ছাত্রদের দাবি হলো আগে সংস্কার নিশ্চিত করা। ফ্যাসিবাদের শিকড় পুরোপুরি উপড়ে ফেলতে হবে, যাতে একই ধরনের শাসন আর ফিরে না আসে।”
সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গা সংকট ও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণসহ আরও নানা বিষয়ে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্ট
