সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা সমপরিমাণ জাল নোট বিভিন্ন রুটে প্রবেশ করছে। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এই অভিযোগ তোলেন।
পোস্টে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি ও নাশকতামূলক কার্যক্রমে অর্থায়নের উদ্দেশ্যে এ জাল নোটগুলো পাচার করা হচ্ছে।
তার দাবি অনুযায়ী, এই জাল নোটগুলো এতটাই নিখুঁতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে যে সেগুলোর কাগজ, নিরাপত্তা সুতার গুণমান, এমনকি হলোগ্রামও মূল নোটের মতোই — যা খালি চোখে, এমনকি সাধারণ ব্যাংক যাচাই মেশিনেও চিহ্নিত করা অত্যন্ত কঠিন।
জুলকারনাইন আরও উল্লেখ করেন, “বিশেষ ব্যবস্থায় পার্শ্ববর্তী দেশটির রাষ্ট্রীয় মুদ্রা ছাপানোর সুবিধা ব্যবহার করে এসব নোট ছাপানো হচ্ছে, এমনটি তিনি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছেন।”
তার মতে, এই জাল নোটগুলো অত্যন্ত কম দামে দেশের জালনোট ব্যবসায়ীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করা এবং দেশের ভেতরে অরাজকতা ও সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়া।
তিনি আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছে এবং তারা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এই অপতৎপরতা ঠেকাতে কাজ করছে। পাশাপাশি, সাধারণ নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
