সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান তাবলিগার শামসুল আরেফিন শক্তির সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইসলাম নিয়ে আলোচনা, বই লেখাসহ ধর্মীয় অঙ্গনে সক্রিয় এই বক্তা সম্প্রতি এক আলোচনায় দাবি করেন—“আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছে শিবির।”
এ বক্তব্যের পর মুসলিম যুবসমাজের একটি বড় অংশ তাঁর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। অনেকে অভিযোগ করেন, শামসুল আরেফিন শক্তি রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট মানসিকতা থেকে মিথ্যা ও কুৎসা রটনা করছেন। তাঁরা বলেন, “একজন তাবলিগার হয়ে ইসলামী আন্দোলনের তরুণদের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা প্রচারণা ইসলামসম্মত নয়।”
এছাড়া, তাঁর আরেকটি বক্তব্যও নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন—“ডাকসুতে শিবিরের বিজয়ে কী লাভ হলো? ইসলামী কোনো আইন কি চালু হয়েছে?” এই মন্তব্যে অনেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “শক্তি সাহেব ইসলামী নীতি-নৈতিকতা নয়, বরং দলীয় মানসিকতা থেকেই এমন বক্তব্য দিচ্ছেন।”
বিতর্কিত এই বক্তব্যগুলোর পর অনেকেই মন্তব্য করেছেন, “শিবিরের বিরোধিতা করতে গিয়ে শক্তি সাহেবরা আসলে আওয়ামী লীগের বয়ানকেই জিইয়ে রাখছেন।” তারা আরও বলেন, “এভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে কেউ ইসলাম বা সমাজের উপকার করছে না, বরং বিভাজন সৃষ্টি করছে।”
ধর্মীয় ও সামাজিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে “ধর্মীয় বক্তা” পরিচয়ে রাজনৈতিক এজেন্ডা চালানোর প্রবণতা বেড়েছে, যা সমাজে বিভ্রান্তি ও ঘৃণা ছড়ানোর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
