আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এবারও তিনি নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। ওই আসনে তার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিমধ্যেই এই আসনকে ঘিরে তুমুল লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
তবে মনোনয়ন ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রতিযোগিতার মনোভাবই প্রকাশ করেছেন জামায়াতপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন। মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লেখেন—
“বিএনপির পক্ষ থেকে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে দলের মহাসচিব, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতী সন্তান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় তাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা জোট প্রার্থী হিসেবে তার পক্ষে কাজ করেছিলাম এবং তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। তখন আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। এবার আমরা দুজনেই দুদল থেকে এই আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, প্রতিযোগী হয়ে নির্বাচনী ময়দানে কাজ করতে চাই। আমাদের মূল লক্ষ্য ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন।”
তিনি আরও লিখেন, “জনগণ আমাকে বিজয়ী করলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে আমার অভিভাবক হিসেবে উনাকে রাখবো, আর জনগণ উনাকে বিজয়ী করলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে উনাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহায় হোন, আমিন।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর এই বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা আসন্ন নির্বাচনে বিরল এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।







