ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কায় গত কয়েক মাস ধরেই ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। মার্কিন বাহিনীর সম্ভাব্য হামলার কথা মাথায় রেখে ইরান ইতিমধ্যেই ওই দ্বীপের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর দ্বীপটিতে অতিরিক্ত সামরিক সদস্য মোতায়েন করেছে তেহরান। একই সঙ্গে দ্বীপের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ড্রোন বা যুদ্ধবিমান রুখতে কাঁধে বহনযোগ্য ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও মোতায়েন করা হয়েছে।
সম্ভাব্য মার্কিন স্থল অবতরণ ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ইরান দ্বীপটির উপকূলীয় এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিপুল পরিমাণ মানববিধ্বংসী ও সাঁজোয়া যানবিধ্বংসী মাইন পুঁতে রেখেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, “ভুল কৌশল ও আবেগী সিদ্ধান্ত পুরো পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাবে, জ্বালানি অবকাঠামো ও বাজারগুলোকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং এমন এক অন্তহীন সংকট সৃষ্টি করবে, যেখানে তোমরা বছরের পর বছর আটকে থাকবে। তখন তোমরা এক ভিন্ন ইরান দেখতে পাবে।”







