ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা কারাগারে থাকা লালমাই উপজেলার যুবদল কর্মী শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার বিকেলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কারা পুলিশের হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শহিদুল্লাহ রাসেল লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের আটিটি খন্দকার বাড়ির আবুল হাসেমের ছেলে। তিনি স্থানীয় যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের শাসনপাড়া এলাকা থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে লালমাই থানা পুলিশ।
পরদিন ১১ মে আদালতের নির্দেশে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯ মে কারা হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে কাশি ও নিউমোনিয়াজনিত সমস্যার চিকিৎসা দেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৭ জুন সকালে তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেল ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান জানান, কারাগারে আসার আগ থেকেই শহিদুল্লাহ রাসেল নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি কার্ডিয়াক শকে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নিহতের স্ত্রী হালিমা আক্তার অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইয়াবা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাকে ভালোভাবে বাঁচতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, শহিদুল্লাহ রাসেল যুবদলের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন।
তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করা উচিত।







