গণহত্যা মানবতার বিরুদ্ধে একটি জঘন্যতম অপরাধ। আন্তর্জাতিক আইন ও অনেক দেশের অভ্যন্তরীণ আইন মতে, এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এর জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো কঠোর সাজা নির্ধারিত থাকতে পারে। ইতিহাসে একাধিক স্বৈরশাসক ও রাষ্ট্রপ্রধানকে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে, এবং কিছুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
এই রায়ের মাধ্যমে তার নাম যুক্ত হলো সাদ্দাম হোসেন, স্লোবোদান মিলোশেভিচ, রাদোভান কারাদজিক ও জোসেফ কাবিলা-এর সঙ্গে — যারা গনতন্ত্রবিরোধী বা সশস্ত্র দমনমূলক সরকারপ্রধান হিসেবে গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত হয়েছেন।
এ রায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি ২৩0 বছর পর প্রথমবার কোনো নারী রাষ্ট্রনায়ককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ঘটনা।
এছাড়াও, বিচারপত্রে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অপর আসামি, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, মীমাংসা হয়ে জবানবন্দি দেওয়ায় তাকে মাত্র ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে আসন্ন আন্দোলনের সময় তাঁর নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনী, তাঁর দল (আওয়ামী লীগ), এবং সহযোগী সংগঠনগুলো (বিশেষত ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ) গঠিত সশস্ত্র ক্যাডারদের সহিংসভাবে বিক্ষোভকারীদের দমনে মোতায়েন করা।
এই নির্দেশের ফলে রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই শারীরিকভাবে







