জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভিন্ন প্যানেলের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী ও জবি শিক্ষার্থী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেহরীন আমিন মোনামী।
একটি লিখিত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক আচরণে সেই আশা কিছুটা জাগ্রত হয়েছিল। অন্তত বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে সুস্থ, সহযোগিতামূলক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চা দেখা যাবে—এমন প্রত্যাশা ছিল।
তবে জকসু নির্বাচনে ভিন্ন দলের সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তা এবং প্রকাশ্যে জোরপূর্বক হিজাব ও নিকাব খুলতে বাধ্য করার চেষ্টাকে তিনি লজ্জাজনক ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের আচরণ কীভাবে সুস্থধারার রাজনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে এবং এটি কেমন রাজনৈতিক চর্চার উদাহরণ।
শেহরীন আমিন মোনামী আরও বলেন, একটি বড় গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি দেশের মেয়েদের সম্মান নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে তা জাতির জন্য গভীর হতাশার বিষয়। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে এমন ঘটনার দায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, এই ঘটনায় কথা বলার কারণে তাকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে আখ্যা দেওয়া হতে পারে, এমন আশঙ্কা থাকলেও তিনি ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া থেকে সরে আসবেন না। গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা হলে ভবিষ্যতে যে কোনো পক্ষের পক্ষেই কথা বলবেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।







