প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল সংক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি মন্ত্রী হিসেবে দেওয়া কোনো দাপ্তরিক বক্তব্য নয়; বরং এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কার একটি নির্বাচনী সাক্ষাৎকার।
গত ২৮ জানুয়ারি চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাকালে একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে এই সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন ড. মিলন। সম্প্রতি সেই সাক্ষাৎকারের একটি খণ্ডিতাংশ ছড়িয়ে পড়লে জনমনে বিভ্রান্তির তৈরি হয় যে তিনি মন্ত্রী হওয়ার পর এই ঘোষণা দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল নির্বাচনের আগে দেওয়া তাঁর দলের প্রতিশ্রুতি।
সাক্ষাৎকারে ড. মিলন নারী শিক্ষার প্রসারে বিএনপি সরকারের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দশম ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত উপবৃত্তি চালু করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তারেক রহমান আগামীতে এই উপবৃত্তি কার্যক্রম ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করবেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারীদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষার মান বাড়াতে আগে ৬০ শতাংশ কোটা নির্ধারিত ছিল, যা বিগত সরকার বাতিল করেছে। বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় গেলে সেই কোটা পুনর্বহাল করা হবে বলে তিনি সাক্ষাৎকারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এ ছাড়া তিনি মাদ্রাসা ও ইংরেজি শিক্ষার বৈষম্য দূরীকরণ, কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে প্রবাসীদের দক্ষতা বাড়িয়ে রেমিট্যান্স বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একটি সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার সকল স্তরে সংস্কারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বর্তমান এই শিক্ষামন্ত্রী।
