টঙ্গী উপ-পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা শেখ বাদল আহমেদের (জার্মান বাদল) উপস্থিতি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শেখ বাদল জার্মান আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বিগত সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শেখ বাদল টঙ্গী এলাকায় ‘জাভান হোটেল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন, যেখানে মদের বার এবং অবৈধ অসামাজিক কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় প্রভাবশালী এই নেতার হঠাৎ পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর বিষয়টি সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পর দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন নেতা কীভাবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যালয়ে অবস্থান করছেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র সমালোচনা চলছে। স্থানীয়রা তাঁর এই অবস্থানকে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন হিসেবে দেখছেন এবং অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে শেখ বাদল কী কারণে বা কার আমন্ত্রণে পুলিশ কর্মকর্তার অফিসে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কোনো বিশেষ মহলের ছত্রছায়ায় তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে চলছেন কি না। স্থানীয় ছাত্র-জনতা অবিলম্বে এই নেতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি তুলেছেন।
