ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল সংসদের সংস্কৃতি সম্পাদক জুলহাস ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় মুহসীন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসাইন রবিনের সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রবিন শুধু হামলার নির্দেশই দেননি, বরং তিনি নিজেও জুলহাসকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার ভিডিও প্রমাণ থাকার পরও এখন পর্যন্ত হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
ভুক্তভোগী জুলহাস ইসলাম অভিযোগ করেছেন, শাহবাগ থানায় বন্ধুদের খোঁজ নিতে গেলে সাজ্জাদ হোসাইন রবিন তাঁকে ইশারায় অন্যদের চিনিয়ে দেন। এরপর রবিনসহ ৩০-৪০ জনের একটি দল তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় জুলহাসের কানের পর্দা ছিঁড়ে গেছে এবং তিনি বর্তমানে শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন। শুরুতে রবিন তাঁকে বাঁচানোর দাবি করলেও ভিডিও ফুটেজে তাঁর হামলার দৃশ্য স্পষ্ট ধরা পড়েছে।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ এবং হল সংসদের সভাপতি এখন পর্যন্ত আহত জুলহাসের সাথে কোনো যোগাযোগ করেননি। হল সংসদের পক্ষ থেকে বারবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের এই উদাসীনতা ও সাজ্জাদ হোসাইন রবিনের মতো হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়াকে দায়িত্বহীনতার চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
হল সংসদের ভিপি সাদিক হোসেন ও জিএস রাফিদ হাসান সাফওয়ান এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রবিনকে অবিলম্বে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভিডিও ফুটেজে অপরাধের সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও যদি বিচার নিশ্চিত না হয়, তবে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন আরও কঠোর হবে।







