হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও বিশিষ্ট আলেম আল্লামা সাজিদুর রহমানের দ্বিতীয় বিবাহকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও অপপ্রচারের প্রেক্ষাপটে ঘটনার প্রকৃত বাস্তবতা সামনে এসেছে। গত ৩০ মার্চ আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। প্রথম স্ত্রীর ঘরে তাঁর চার ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাদুঘর গ্রামে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। কনে স্থানীয় ভাদুঘর গ্রামের মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে আমাতুর রহমান। উল্লেখ্য যে, আমাতুর রহমান একজন বিধবা এবং কয়েক মাস আগে তাঁর স্বামী মারা যান। আগের সংসারে তাঁর একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।
ইসলামিক বিধিবিধান অনুযায়ী একজন বিধবা নারীকে সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রদানের মহৎ উদ্দেশ্যেই এই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আল্লামা সাজিদুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া দারুল আরকাম আল ইসলামিয়ার প্রিন্সিপাল এবং জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস হিসেবে দেশজুড়ে সুপরিচিত ও সম্মানিত।
তবে এই ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় বিষয়টিকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গণমাধ্যমের একাংশও ঘটনার মানবিক ও সামাজিক দিকটি এড়িয়ে উদ্দেশ্যমূলক শিরোনাম ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। অথচ একজন বিধবা নারীর দায়িত্ব গ্রহণ ও সুন্নতি তরিকায় পরিবার গঠনকেই এই বিবাহের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখছেন অভিজ্ঞ আলেম সমাজ।
