যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যস্থতাকারীরা ৬০ দিনের একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) একমত হয়েছেন। এর লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করা। তবে এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি।
মার্কিন কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, দুই পক্ষ বেশিরভাগ শর্তে একমত হয়েছে। তবে চুক্তি কার্যকর করতে উভয় দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন প্রয়োজন।
এই সমঝোতা সফল হলে তা চলমান সংঘাতের মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে আরও দীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন হতে পারে।
চুক্তিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা, কোনো টোল বা বাধা না দেওয়ার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইরানকে প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করতে হবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে নৌ অবরোধ ও কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে।
এছাড়া ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দেবে এবং তাদের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ন্ত্রণ বা অপসারণ নিয়ে আলোচনা হবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আটকে থাকা তহবিল ছাড় ও কিছু নিষেধাজ্ঞা কমানোর বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর সংঘাত বন্ধের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব ও আঞ্চলিক শান্তি নিয়েও আলোচনা হবে।
তবে এখনো ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমঝোতা মেনে নেওয়ার কথা জানায়নি। অন্যদিকে ট্রাম্পও বলেছেন, চুক্তি সইয়ের বিষয়ে তার কোনো তাড়া নেই।







