ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ এক বাংলাদেশির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম নূরুল আমিন সোহাগ (৪০), যিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে।
শুক্রবার (৫ জুন) নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং নিহত যুবকের স্বজন হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ছোট বোন ও ভগ্নিপতির চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত সপ্তাহে নয়া দিল্লি গিয়েছিলেন নূরুল আমিন।
গত বুধবার (৩ জুন) সকালে দক্ষিণ দিল্লির মালব্য নগরের হাউজ রানি এলাকায় ‘ফ্লোরিশ স্টে বি’ নামে পাঁচতলা একটি ‘বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট’ হোটেলে সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশিসহ বিশ্বের ৭টি দেশের মোট ২২ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
আকস্মিক এই আগুনে সেখানে অবস্থানরত দুটি বাংলাদেশি পরিবারের সদস্যরা গুরুতরভাবে দগ্ধ ও আহত হন। এদের মধ্যে নূরুল আমিনের ছোট বোন ও ভগ্নিপতিসহ ৫ জন বাংলাদেশি মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন, যারা বর্তমানে দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, প্রয়াত নূরুল আমিনের মরদেহ যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে তাঁর পরিবারের কাছে পাঠানোর প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে চিকিৎসাধীন বাকি বাংলাদেশিদের খোঁজখবর রাখতে হাইকমিশন সার্বক্ষণিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
এদিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, নিহত সোহাগের স্বজনদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দেশে আনা এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।







