অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, জাতীয় স্বার্থ ও বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আমার দেশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, দুই দেশের মধ্যে আস্থার পরিবেশের অভাব এবং বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যুর কারণে সফর নিয়ে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন সমঝোতা কিংবা বিদ্যমান চুক্তি বহাল রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধে দিল্লির ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। এছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতি, পুশইনের অভিযোগ, সীমান্ত হত্যা, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া এবং শেখ হাসিনাকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, সরকারকে চাপে রাখতে সংখ্যালঘু হিন্দুদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
এদিকে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের মত, বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লি সফর স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত কৌশলগতভাবে যথাযথ। তাদের মতে, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠিত না হলে উচ্চপর্যায়ের সফর ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা কম।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান বাস্তবতায় চলতি বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
