ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে এক ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদে এ ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব এবং সংগঠনের দুই কর্মী সাবনুর ও হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার পবিত্র জুমার নামাজের পর অভিযুক্তরা হঠাৎ মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এই বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা পবিত্র উপাসনালয়ে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তম্ভিত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কমিটির সহসভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এবং তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পাওয়ায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
