ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলির পাঁঠা বানিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের অপরাধ আড়াল ও পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী শাসনামলকে বৈধতা দেওয়ার একটি রাজনৈতিক কৌশল আঁকা হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারতকে কূটনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত করা এবং বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে এনে একটি সহিংস বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করার পরিকল্পনা থাকতে পারে। এতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪ শত হত্যা ও ৩০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করার দায় আড়াল করে শেখ হাসিনাকে ‘ভিকটিম’ হিসেবে উপস্থাপন করার পথ তৈরি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, এ ধরনের সহিংসতার মাধ্যমে শেখ হাসিনার পলায়ন ও ভারতকে ঘিরে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক বিতর্ককে জায়েজ করার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি, এই রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে সীমান্ত অনুপ্রবেশ বা সামরিক আগ্রাসনের অজুহাত তৈরি করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের শর্টকাট পথ খোঁজা হচ্ছে।
আনন্দবাজার পত্রিকায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে গেলে আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে। তবুও আমি যাবে। এই কথার গভীরতা নিয়ে বিশ্লেষকরা আশংকা করছেন শেখ হাসিনাকে দেশে এলে তাকে হত্যা করে আরেকটি ভিক্টিম নাটক মঞ্চস্থ হতে পারে।
তবে বাংলাদেশ সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে কোনো ধরনের বেআইনি বা অপ্রীতিকর প্রক্রিয়া নয়, বরং দুই দেশের মধ্যকার বন্দি বিনিময় চুক্তির অধীনে আইনি কাঠামোর মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের বিচার নিশ্চিত করা হবে।







