বগুড়ার শেরপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে পৌর যুবদলের এক জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতার দাবি, চাঁদা দাবি বা হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি; বরং জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শেরপুর পৌরসভার সান্যালপাড়া এলাকার ‘সায়েম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস’ ও ‘সায়েম ট্রেডার্স’ নামের প্রতিষ্ঠানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবদুল্লাহ আল রাফাত বাদী হয়ে শেরপুর থানায় লিখিত এজাহার দেন।
মামলায় শেরপুর পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম সম্রাটকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এজাহারে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। বাদীর অভিযোগ, গত ৮ সেপ্টেম্বর তরিকুল ইসলাম কার্যালয়ে এসে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে একদল লোক নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিষ্ঠানে হামলা, কর্মচারীদের মারধর ও নগদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন।
অন্যদিকে, মূল অভিযুক্ত যুবদল নেতা তরিকুল ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি বগুড়া শহরে ছিলেন। তাঁর দাবি, বাদী পক্ষ স্থানীয় পৈতৃক ও সরকারি জমি দখলের অপচেষ্টা করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করেছিলেন মাত্র। রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হয়রানি করতেই সিসিটিভি ফুটেজের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এই ভিত্তিহীন এজাহার দেওয়া হয়েছে।
