বিশ্বের সামরিক ইতিহাসের অন্যতম বড় ঘটনা ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের এই স্বীকারোক্তিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে সক্রিয় থাকা ‘মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র’ রয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র মূলত সম্ভাব্য শত্রুর হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের সামরিক সক্ষমতা ও স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
তবে কৌশলগত নিরাপত্তার স্বার্থে এই অস্ত্রের ধরন, প্রযুক্তি কিংবা এটি ঠিক কী পরিমাণ বিধ্বংসী ক্ষমতা রাখে—সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি বিমানবাহিনী সচিব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অস্ত্রের কার্যকারিতা এবং প্রতিপক্ষকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বজায় রাখতে এই গোপনীয়তা অত্যন্ত জরুরি।
ট্রয় মেইঙ্ক আরও প্রকাশ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাকাঙ্ক্ষী ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মহাকাশভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এই প্রতিরক্ষা বলয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রথম সারির উড্ডয়ন উপযোগী আধুনিক সরঞ্জাম ও অবকাঠামো এখন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।







