ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে যাত্রা বিরতিকালে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের খাবার সংগ্রহের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বিমানবন্দরে সাধারণ যাত্রীদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে দরদাম করে খাবার কিনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান। একাধিক গণমাধ্যমে হুবহু একই ক্যাপশনে এই ভিডিও ও তথ্য প্রচার করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল সেই ভিডিও প্রকাশ করা মিডিয়ার মাঝে মাঝে তিনটি মিডিয়াই বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন।
তবে বিষয়টিকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে চিহ্নিত করেছেন নিয়মিত আকাশপথে ভ্রমণকারী ও এভিয়েশন বিশ্লেষকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরের বিজনেস ক্লাস কিংবা লাউঞ্জ সুবিধা ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য খাবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ও এয়ারলাইন্সের সৌজন্যে সরবরাহ করা হয়। ফলে সেখানে নগদ অর্থ পরিশোধ বা ‘দরদাম’ করার কোনো সুযোগ বা যৌক্তিকতা নেই।
গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, তথ্য যাচাই না করে নির্দিষ্ট একটি পিআর টিমের সরবরাহ করা ক্যাপশন হুবহু অনুলিপি করে প্রকাশ করায় দেশের দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমগুলোর বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাদারিত্ব নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ও তথ্য বিকৃতির কড়া সমালোচনা করছেন।







