হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার এক দিনের রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামানকে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজেদুল ইসলাম।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার। ওই দিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলির সংকটকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার পর আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ ও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আখতারুজ্জামান জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলেন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন।
এর আগে শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
