Saturday, November 7, 2026
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

সচিবালয় স্থানান্তরে জটিলতার শঙ্কা

November 7, 2026
A A
সচিবালয় স্থানান্তরে জটিলতার শঙ্কা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সরকারি সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জমির মালিকানা দাবি করে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) প্রশাসন। অন্যদিকে কৃষি গবেষণার স্বার্থে জমি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে প্রস্তাবিত প্রকল্পের কাজ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে শেরেবাংলা নগরের মূল মহাপরিকল্পনা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জমির মালিকানা ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠের জমি দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত। জমির খাজনা পরিশোধসহ ভূমিসংক্রান্ত হালনাগাদ কার্যক্রমও মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। তবে শেকৃবি প্রশাসনের দাবি, কৃষি গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে বরাদ্দ দেওয়া জমির অংশ এটি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দলিলপত্রও তাদের কাছে রয়েছে। ফলে জমির প্রকৃত মালিকানা ও ব্যবহারের অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

গত ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে আবদুল গনি রোডে অবস্থিত বর্তমান বাংলাদেশ সচিবালয় শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের পরপরই মাঠটি কৃষি গবেষণার কাজে ব্যবহারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দাবি, জমিটি সরকারি সম্পত্তি এবং দীর্ঘদিন ধরে মন্ত্রণালয় এর দেখভাল করে আসছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিভিন্ন সময়ে সরকারি স্থাপনা নির্মাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ করা হলেও অবশিষ্ট জমির মালিকানা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই থাকার কথা।

শেকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক আরফান আলী আমার দেশকে বলেন, ১৯২০ সালে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগের পর ১৯৩৮ সালে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক বেঙ্গল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সময়ে কৃষি গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে প্রায় ২০০ একর জমি দেওয়া হয়।

তিনি জানান, বিভিন্ন সময়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, হৃদরোগ ও পঙ্গু হাসপাতাল, পরিকল্পনা কমিশন এবং গণপূর্ত ভবন নির্মাণের জন্য ওই জমির বিভিন্ন অংশ নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট জমির একটি অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল।

অধ্যাপক আরফান আলীর দাবি, ১৯৮৮-৮৯ সালে এরশাদ সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হল, ডেইরি ফার্ম ও মসজিদ সরিয়ে অস্থায়ীভাবে মেলা আয়োজনের জন্য জমিটি নেওয়া হয়েছিল।

দীর্ঘদিন জমি ফেরত চাওয়ার উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর আন্দোলন করার সুযোগ না থাকলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থীরা জমি ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছেন। কৃষি গবেষণার সম্প্রসারণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে জমিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। জমির মূল মালিকানাসংক্রান্ত সব কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সড়ক অবরোধ, বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন

জমি হস্তান্তরের দাবিতে গত ২৭ অক্টোবর থেকে আন্দোলন করে আসছেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা। ওই দিন পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষার কাজ চলার সময় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও গাড়ি জব্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। পরদিন মাঠে মেলা আয়োজন বন্ধের আল্টিমেটাম দেন তারা। এ সময় মাঠের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

২৯ অক্টোবর দাবির পক্ষে সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। একই দিন মাঠে জাতীয় যুব মেলাসহ সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তবে মাঠের স্থাপনা অপসারণ না করা এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে ২ নভেম্বর আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ওই দিন মাঠটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণাও দেন আন্দোলনকারীরা।

এরপর গত মঙ্গলবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভায় সব পর্যায়ের পরীক্ষা বর্জন এবং বেলা ১১টার পর ক্লাসে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একত্র হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দেন।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা স্ট্যান্ড থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়ে চীন-মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে শেরেবাংলা নগরে গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে কুশপুত্তলিকা দাহের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সচিবালয়ের জন্য মূল মহাপরিকল্পনা সংরক্ষণের সুপারিশ স্থাপত্য অধিদপ্তরের

এদিকে শেরেবাংলা নগরের প্রশাসনিক এলাকার মূল মহাপরিকল্পনা অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে জাতীয় সংসদ ভবনসহ পুরো প্রশাসনিক এলাকার পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে গাজীপুরের সালনায় বরাদ্দ করা জমিতে স্থানান্তরের প্রস্তাবও রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ভবন ও শেরেবাংলা নগরের প্রশাসনিক এলাকা স্থপতি লুই আই কানের প্রণীত মহাপরিকল্পনার অংশ। এ এলাকার ভূমি ব্যবহার ও কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনা হলে সংসদ ভবনের আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যগত স্বীকৃতি অর্জনের প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনকে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্ভাব্য তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে।

স্থাপত্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, তৎকালীন পূর্ত বিভাগের হিসাব ও রাজধানীর স্থপতিদের মতামতের ভিত্তিতে তৎকালীন ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় প্রায় ১ হাজার একর জমির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ১৯৬৪ সালে সংসদ ভবন নির্মাণের জন্য ৪০৮ একর জমি অধিগ্রহণের পর প্রশাসনিক এলাকার জন্য আরও ৫০০ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

সংসদ ভবনের উত্তর পাশে চিলড্রেন উদ্যানের উত্তরে জাতীয় সচিবালয়সহ প্রশাসনিক ব্লক নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন স্থপতি লুই আই কান। তবে স্বাধীনতা-পরবর্তী অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। ১৯৮২ সালে সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রস্তাবিত সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ আর এগোয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সচিবালয়ের জন্য নির্ধারিত জমির বিপরীতে শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে গাজীপুরের সালনায় স্থানান্তরের শর্তে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়নি। প্রশাসনিক এলাকার মূল পরিকল্পনার সঙ্গে বিশেষায়িত কৃষি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মনে করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর।

এ ছাড়া সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত না হওয়ায় একপর্যায়ে জমিটি সবুজ পার্ক ও খেলাধুলার মাঠ হিসেবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী নকশাও তৈরি করে স্থাপত্য অধিদপ্তর। তবে ভবিষ্যতে প্রশাসনিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রয়োজন বিবেচনায় জমিটি সচিবালয়ের সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে সংরক্ষণের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

জমি মন্ত্রণালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত: গণপূর্ত সচিব

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান আমার দেশকে বলেন, পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠের জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়। মাঠ ও বিভিন্ন স্থাপনা মিলিয়ে মোট ১৫৭ একর জমি মন্ত্রণালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, এটি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত এবং মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত। সেখানে সচিবালয় স্থানান্তর করা হবে, এর অন্য কোনো বিকল্প নেই। এ বিষয়ে গণপূর্ত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সচিব আরও বলেন, আগে ওই মাঠে বাণিজ্যমেলা হয়েছে, এখনো বিভিন্ন মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তখন কোনো সমস্যা হয়নি। এখন হঠাৎ করে কারা ইন্ধন দিচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এসবির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, কিছু ব্যক্তি পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছেন। গত ১৭ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণার জন্য মাঠের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গণপূর্ত সচিব। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে গবেষণার জন্য মাঠ থাকলেও সেগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বরং ধান চাষের জমি নষ্ট করে হোস্টেল ও বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে সরকার অন্য জায়গায় হোস্টেল নির্মাণের জন্য জমি দিতে পারে।

নতুন সচিবালয়ে ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আবদুল গনি রোডে ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমির ওপর বাংলাদেশ সচিবালয়ের ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন স্বাধীনতার আগে নির্মিত। পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবনটি ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়।

এসব ভবন ভূমিকম্প সহনশীল করে নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনায় ভবনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে সরকার। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গার অভাবেও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে একনেক সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য স্থাপত্য অধিদপ্তর একটি ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে মোট ৩৩ দশমিক ১৬ লাখ বর্গফুট আয়তনের অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এতে তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন থাকবে। পাশাপাশি ৩ হাজার ৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হবে, যার মধ্যে ২০০টি থাকবে ভূউপরিস্থ পার্কিং।

এ ছাড়া মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতার দুটি বহুমুখী হল, ক্যাফেটেরিয়া ও ডাকঘরসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গা সবুজায়ন ও জলাধারের জন্য সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন এবং শেরেবাংলা নগরের মূল মহাপরিকল্পনা সংরক্ষণের প্রশ্নে নতুন সচিবালয় নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Related Posts

জামায়াত

দেশে আদৌ সরকার আছে কি না, প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির

November 7, 2026
বাংলাদেশ

ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৫০০ রোগীর জীবন

November 7, 2026
বাংলাদেশ

হামলায় বিএনপি সাবেক নেতার মৃত্যুর অভিযোগ, প্রধান আসামি যুবদল নেতা

November 7, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে যে সিদ্ধান্ত এলো

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ​ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ভারতের অর্থায়নে ৪২ বাংলাদেশী সিনিয়র সাংবাদিকের গোপন প্রশিক্ষণ!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

দোকান দখল, অর্থ আত্মসাৎ ও বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগে পদ হারালেন জাবি ছাত্রদল নেতা

November 7, 2026

দেশে আদৌ সরকার আছে কি না, প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির

November 7, 2026

ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৫০০ রোগীর জীবন

November 7, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version