দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, সামনে নির্বাচন, আর সংসদে কাকে পাঠাচ্ছি সেটা বেশ ভাবনাচিন্তা করেই ঠিক করতে হবে। তাঁর কথায়, আমরা যদি ভুল মানুষকে নির্বাচিত করি, তাহলে ফলও খারাপই হবে। ভালো মানুষকে ভোট দিলে ভালো প্রশাসন পাওয়া যায়, আর খারাপ মানুষ গেলে ঘুষ-দুর্নীতিই বাড়ে।
সোমবার দুপুর ৩টার দিকে হবিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের আয়োজনে গণশুনানি শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন।
তিনি আরও বলেন, দুদক খুব বড় কোনো প্রতিষ্ঠান না—একটা ছোট অফিসই বলা যায়। সীমাবদ্ধতা অনেক, কিন্তু সময়মতো তথ্য পেলে তদন্ত করে সত্য-মিথ্যা বের করে আনা সম্ভব।
গণশুনানিতে দুদকের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম আর হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।
সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব দপ্তরের প্রধানসহ অভিযোগকারী আর অভিযুক্ত সবাইই গণশুনানিতে হাজির ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত দুই সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন জায়গায় দুদকের ১০টি বুথে প্রায় ২০০ অভিযোগ জমা পড়ে। বেশির ভাগ অভিযোগই রেলওয়ে, হাসপাতাল, নির্বাচন, রেজিস্ট্রি, বিআরটিএ, পাসপোর্ট, শিক্ষা অফিস, গণপূর্তসহ নানা দপ্তরকে ঘিরে। এর মধ্যে ৮৩টি অভিযোগের公开 শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।







