সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধকে ‘চরম ধাপ্পাবাজি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নেভাডা ডেমোক্রেটিক পার্টির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধনীতির তীব্র প্রতিবাদ জানান। হ্যারিস অভিযোগ করেন, এই যুদ্ধের কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এটি পরিচালনা করা হচ্ছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে কমলা হ্যারিস বলেন, আমেরিকান জনগণ এই অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ চায় না। তিনি ট্রাম্পের স্ববিরোধী অবস্থানের সমালোচনা করে উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্ট আগে দাবি করেছিলেন তিনি ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছেন, অথচ এখন সেই একই অজুহাতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। হ্যারিস এই পুরো বিষয়টিকে ‘বুলশিট’ বা চরম প্রতারণা বলে মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বর্ণনা করে হ্যারিস বলেন, বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তাঁর মতে, ট্রাম্পের এই হঠকারী নীতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকা তার দীর্ঘদিনের মিত্রদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মার্কিন কূটনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে হারের পর কমলা হ্যারিস এখন আসন্ন মিড-টার্ম নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মকাণ্ডে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, রিপাবলিকানরা সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার সীমিত করার চেষ্টা করছে যাতে মুদ্রাস্ফীতি ও যুদ্ধের আকাশচুম্বী খরচ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে। যুদ্ধের অর্থনৈতিক বোঝা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে বলে তিনি দাবি করেন।







