আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইতিহাসের উদাহরণ টেনে জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যারা গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে, আইনি প্রক্রিয়ায় সেসব রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধ হওয়ার নজির রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি দল যারা দেশে গণহত্যা চালিয়েছে। হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে নিরীহ মানুষ হত্যা এবং ঘরের ভেতরে ঢুকে নারী ও শিশুদের ওপর হামলা চালানোর মতো ভয়াবহ অপরাধের দায় তাদের ওপর বর্তায়। তাঁর মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগ আর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদের দাবি করতে পারে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং এ বিষয়ে আদালতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনমত এখন স্পষ্ট হয়েছে। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের মতো কোনো ‘মাফিয়া গোষ্ঠী’ বা অপশক্তিকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির মাঠে আর দেখতে চায় না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই দলটির ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে গুরুত্বারোপ করেন।







