টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক পরকীয়া প্রেমিকার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় শফি সিকদার নামে এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার (৮ জুন) রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।
আটক শফি সিকদার সোনালিয়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী কটামারা গ্রামের বাসিন্দা এবং বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। দুই সন্তানের জনক শফির সঙ্গে ওই ডিভোর্সি নারীর দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। সোমবার রাতে শফি ওই নারীর ঘরে ঢুকলে স্থানীয় লোকজন বাড়ি ঘেরাও করে তাঁদের হাতেনাতে আটক করে।
এদিকে এই নৈতিক স্খলনজনিত ঘটনা জানাজানি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে দল। মঙ্গলবার (৯ জুন) শফি সিকদারকে দল থেকে বহিষ্কার করে উপজেলা বিএনপি। উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এই বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর গণধোলাইয়ের খবর পেয়ে শফিকের আগের স্ত্রী ও সন্তানরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আবারও বেদম মারপিট করেন। পরে শফিকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মির্জাপুর বাঁশতৈল ফাঁড়ির পুলিশ এবং স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থলে যান। বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান জানান, জনতার হাতে আটকের খবর শুনে শতশত উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। পরে স্থানীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের সম্মতিতে বিয়ের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।







