জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু সংসদে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা এবং একজন নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে নানা বাস্তবতার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
মঙ্গলবার দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন, সংসদ অধিবেশন শেষে বাসায় ফেরার সময় প্রায়ই তার এক বিচারক বন্ধুর কথা মনে পড়ে, যিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের মতো গণপরিবহনে চলাচল করতে না পারার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলেন।
যাতায়াত ব্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে ডা. মিতু জানান, গত পাঁচ দিনে তার উবার ও পাঠাও খাতে প্রায় ৮ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। গরমের কারণে তিনি সাধারণত প্রিমিয়াম সেবা ব্যবহার করেন। সংসদীয় কার্যক্রমের বাইরে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের জন্যও তাকে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়।
তিনি বলেন, সংসদ ভবনে উবার নিয়ে প্রবেশ করা গেলেও বের হওয়ার সময় গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে বাইরে এসে যানবাহন নিতে হয়। একদিন বই, ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বহন করে বের হওয়ার সময় বিষয়টি তার জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছিল।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদ ভবনের সামনে অনেক সময় সিএনজি পাওয়া যায় না। একদিন সিএনজি না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে বাসায় ফিরতে হয়েছে। বিষয়টি দেখে আশপাশের লোকজনও বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।
সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা নিয়েও মন্তব্য করেন ডা. মিতু। তিনি বলেন, অতীতে সংসদ সদস্যদের জন্য করমুক্ত গাড়িসহ বিভিন্ন সুবিধা ছিল। তবে এসব সুবিধা বাতিল হওয়ায় দুর্নীতিবাজ ও ধনী রাজনীতিকরা অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। অন্যদিকে সীমিত আয়ের নতুন ও সাধারণ পটভূমি থেকে আসা সংসদ সদস্যদের জন্য ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, সংসদ অধিবেশনে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য কম দামের শাড়ি খুঁজছিলেন। এমন সময় তার স্বামীর বড় বোন কয়েকটি শাড়ি পাঠিয়ে দেন। এ জন্য তিনি পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পোস্টের শেষাংশে ডা. মিতু বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগই তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। পথে চলতে গিয়ে কেউ যখন দূর থেকে ‘মিতু আপু’ বলে ডাক দেন, তখন







