জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে ইরানের বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার প্রদত্ত ভাষণে তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান যুদ্ধ অবসানে তেহরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে দেশটিকে ‘নিশ্চিহ্ন’ বা ‘নরকে’ পাঠাতে সামরিক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না ওয়াশিংটন।
জাতিসংঘের মঞ্চে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, তাঁর সামনে এখন দুটি বড় পথ খোলা রয়েছে—হয় ইরানের সঙ্গে চুক্তি করে দেশটির পুনর্গঠন ও মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রভাবশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া, অথবা সামরিক শক্তির মাধ্যমে ইসলামিক রিপাবলিককে পুরোপুরি ধ্বংস করা। চুক্তি না হলে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে যেন তারা ভবিষ্যতে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে।
হুঁশিয়ারির পাশাপাশি ইরান সমঝোতায় আসতে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ বর্তমানে মার্কিন নির্বাচনের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে।
ভাষণে ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি দাবি করেন, তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতেই আমেরিকা কঠোর সামরিক পথ বেছে নিয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দাবি করা হচ্ছে।







