১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া মোড়ে একটি বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লংমার্চের বহরটি ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও নারী-পুরুষ এটিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান।
পথসভাকালে জনতা ও নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় ঐক্যের ৭ দফা দাবি আদায়ে আপসহীন ও অনড় ভূমিকা পালনের জোরালো প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর এই সংক্ষিপ্ত পথসভা শেষে লংমার্চের গাড়ি বহরটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খুলনার উদ্দেশে রওনা দেয়। পর্যায়ক্রমে খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় এই লংমার্চের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
খুলনা ছাড়াও এই লংমার্চ যশোরের মুড়লীর মোড় এবং ঝিনাইদহের বাস টার্মিনালের পথসভায় অংশ নেবে। পরবর্তীতে সবশেষে কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে এক বিশাল সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্ধারিত রুট ছাড়াও লংমার্চের পুরো পথজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব স্থানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য রাখছেন এবং রাস্তার দুই ধারে সমবেত হওয়া স্থানীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিবাদন গ্রহণ করছেন।
এর আগে এদিন সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হয়। সেখান থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় শরীয়তপুরের নাওডোবায় প্রথম পথসভায় যোগ দেয় লংমার্চের বিশাল বহর।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চ এবং ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন করেছিল ১১ দলীয় ঐক্য। জনগণের অধিকার ও সাত দফা দাবি আদায়কে কেন্দ্র করে এটি তাদের তৃতীয় বড় লংমার্চ কর্মসূচি।
