২০২৭ সালের হজযাত্রী পরিবহনে জনপ্রতি মাত্র ৯৮ হাজার টাকা নেট ভাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। সরকারের অনুমোদন পেলে আগামী হজ মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। চিঠিতে বলা হয়েছে, সব ধরনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে স্বল্প ব্যয়ে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হজ পালনের সুযোগ করে দিতে তারা জনপ্রতি ৯৮ হাজার টাকায় হজ ফ্লাইট পরিচালনা করতে প্রস্তুত।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হজের বিমান ভাড়া কমানোর আলোচনায় ইউএস-বাংলার এই প্রস্তাব ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করা হবে।
তিনি জানান, ইউএস-বাংলা জানিয়েছে যে সরকারের অনুমোদন পেলে তারা সৌদি আরবের সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন সংগ্রহ করবে। সরকারের লক্ষ্যও হজের ব্যয় কমিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য হজকে আরও সাশ্রয়ী করা। এ ক্ষেত্রে বিমান ভাড়ায় প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে জনপ্রতি বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা, যা হজ প্যাকেজের মোট ব্যয়ের একটি বড় অংশ।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইন্স সাউদিয়া এবং বেসরকারি এয়ারলাইন্স ফ্লাইনাস অংশ নেয়।
হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, হজের বিমান ভাড়া কমানোর দাবি দীর্ঘদিনের। ইউএস-বাংলার প্রস্তাবটি সংশ্লিষ্ট বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ চূড়ান্ত করতে মঙ্গলবার সচিবালয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে বিকেল ৪টায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করবেন।







